২০২৪ সাল কেন একটি লিপ ইয়ার?

Rate this post

২০২৪ সাল একটি লিপ ইয়ার। অর্থাৎ এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের। অন্যান্য বছর ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনে হলেও লিপ ইয়ারে ২৯ দিন কেনো? অতিরিক্ত একদিন কীভাবেই বা বছরের শুরুতে যোগ করা হয়?

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে, পৃথিবীর কক্ষপথের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ৩৬৫.২৪২২ দিন। এই সময়কে কেলাসিয়াল বছর বলা হয়। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এই সময়কে পুরোপুরিভাবে প্রতিফলিত করে না। তাই প্রতি চার বছর পর পর একটি দিন যোগ করা হয়। এই যোগ করা দিনটি ফেব্রুয়ারি মাসে যোগ করা হয়।

২০২৪ সাল একটি লিপ ইয়ার কারণ এটি ৪ দিয়ে বিভাজ্য। তাই এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের। ফলে ২০২৪ সালে মোট ৩৬৬ দিন রয়েছে।

লিপ ইয়ারের উদ্দেশ্য হল গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারকে কেলাসিয়াল বছরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা। যদি প্রতি চার বছর পর পর একটি দিন যোগ করা না হয়, তাহলে প্রতি শতাব্দীতে দিনের সংখ্যা একদিন কমে যাবে। এতে করে বছরের সাথে ঋতুর মিল নষ্ট হয়ে যাবে।

লিপ ইয়ারের নিয়ম অনুসারে, ১০০ দিয়ে বিভাজ্য বছরগুলি লিপ ইয়ার হয় না, তবে সেগুলিও লিপ ইয়ার হয় যদি সেগুলি ৪০০ দিয়ে বিভাজ্য হয়। তাই ২০০০ সাল একটি লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু ২০১৬ সাল একটি লিপ ইয়ার ছিল না।

বাংলায় লিপ ইয়ারকে অধিবর্ষ বলা হয়। অধিবর্ষের দিনটিকে অধিবর্ষ দিবস বলা হয়। অধিবর্ষ দিবসে বাংলাদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

২০২৪ সালে একদিন বেশি কেন?

২০২৪ সালে একদিন বেশি কারণ এটি একটি লিপ ইয়ার। লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের হয়, অন্য বছর ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের হয়।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে, পৃথিবীর কক্ষপথের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ৩৬৫.২৪২২ দিন। এই সময়কে কেলাসিয়াল বছর বলা হয়। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এই সময়কে পুরোপুরিভাবে প্রতিফলিত করে না। তাই প্রতি চার বছর পর পর একটি দিন যোগ করা হয়। এই যোগ করা দিনটি ফেব্রুয়ারি মাসে যোগ করা হয়।

২০২৪ সাল একটি লিপ ইয়ার কারণ এটি ৪ দিয়ে বিভাজ্য। তাই এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের। ফলে ২০২৪ সালে মোট ৩৬৬ দিন রয়েছে।

বাংলায় লিপ ইয়ারকে অধিবর্ষ বলা হয়।

লিপ ইয়ারে কতবার ফেব্রুয়ারি মাস থাকে?

লিপ ইয়ারে একটাই ফেব্রুয়ারি মাস থাকে। কিন্তু সেটার দিনের সংখ্যা সাধারণ বছরের চেয়ে বেশি থাকে, অর্থাৎ ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিন থাকে।

লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিন থাকে কারণ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে সাধারণ বছরের দিনের সংখ্যা ৩৬৫, কিন্তু পৃথিবীর এক বছরের দিনের সংখ্যা ৩৬৫.২৪২২ দিন। এই পার্থক্যটি মেটাতে প্রতি চার বছরে একবার একটি লিপ ইয়ার যোগ করা হয়। লিপ ইয়ারে একটি অতিরিক্ত দিন যোগ করে এই পার্থক্যটি মেটানো হয়।

লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিন থাকার কারণে, লিপ ইয়ারে মোট দিনের সংখ্যা ৩৬৬ হয়।ৎ

লিপ ইয়ারের পরের বছর কত দিন থাকে?

লিপ ইয়ারের পরের বছর সাধারণ বছর হয়। সাধারণ বছরে ফেব্রুয়ারি মাসের দিনের সংখ্যা ২৮ দিন। তাই, লিপ ইয়ারের পরের বছরের মোট দিনের সংখ্যা ৩৬৫।

উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সাল লিপ ইয়ার। ২০২৫ সাল সাধারণ বছর। ২০২৪ সালের মোট দিনের সংখ্যা ৩৬৬, ২০২৫ সালের মোট দিনের সংখ্যা ৩৬৫।

সুতরাং, লিপ ইয়ারের পরের বছর সাধারণ বছর হয় এবং এর দিনের সংখ্যা ৩৬৫।ৎ

লিপ ইয়ারের নিয়ম কী?

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে, যেই বছরগুলো ৪ দিয়ে বিভাজ্য, সেগুলোই লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে। যেসব বছর ১০০ দিয়ে বিভাজ্য কিন্তু ৪০০ দিয়ে বিভাজ্য নয়, সেগুলো লিপ ইয়ার নয়।

উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সাল লিপ ইয়ার, কারণ এটি ৪ দিয়ে বিভাজ্য। ২০২৮ সালও লিপ ইয়ার, কারণ এটি ৪ দিয়ে বিভাজ্য এবং ৪০০ দিয়েও বিভাজ্য। কিন্তু ২০০০ সাল লিপ ইয়ার নয়, কারণ এটি ১০০ দিয়ে বিভাজ্য কিন্তু ৪০০ দিয়ে বিভাজ্য নয়।

সুতরাং, লিপ ইয়ারের নিয়ম হল:

  • যেই বছরগুলো ৪ দিয়ে বিভাজ্য, সেগুলো লিপ ইয়ার।
  • যেসব বছর ১০০ দিয়ে বিভাজ্য কিন্তু ৪০০ দিয়ে বিভাজ্য নয়, সেগুলো লিপ ইয়ার নয়।

লিপ ইয়ারের এই নিয়মটি ১৫৮২ সালে পোপ গ্রেগরিয়াস XIII দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল। এই নিয়মটি পৃথিবীর সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে সময় লাগার সাথে ক্যালেন্ডারের হিসাবের মিল বজায় রাখতে সাহায্য করে।

লিপ ইয়ার সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য:

  • লিপ ইয়ারের ইতিহাস প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।
  • গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে, প্রতি চার বছর পরপর একটি দিন যোগ করা হয়।
  • ১০০ দিয়ে বিভাজ্য বছরগুলি লিপ ইয়ার হয় না, তবে সেগুলিও লিপ ইয়ার হয় যদি সেগুলি ৪০০ দিয়ে বিভাজ্য হয়।
  • লিপ ইয়ারের উদ্দেশ্য হল গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারকে কেলাসিয়াল বছরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা।

লিপ ইয়ারের কিছু মজার তথ্য:

  • লিপ ইয়ারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদেরকে বলা হয় লিপ বার্থডে।
  • লিপ ইয়ারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদেরকে সাধারণত ভাগ্যবান মনে করা হয়।
  • লিপ ইয়ারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদের জন্য অনেক দেশে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Leave a Comment